তা‘বীল-এর অর্থ -ও তাফসীর- তাবীলের- পার্থক্য
- বিশেষ প্রবন্ধ ও নিবন্ধ
- সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
পরম মহিমান্বিত ও মর্যাদাপূর্ণ মাস মাহে রমজান। এ মাসের মর্যাদার বিস্তারিত বিবরণ উল্লিখিত রয়েছে হাদীসে নববীতে। একেকটি ফরজ আমলের ছাওয়াব সত্তর গুণ বৃদ্ধি পাওয়া, একেকটি নফল আমলের ছাওয়াব ফরজ আমলের ছাওয়াব সমতুল্য হওয়া, মালউন শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকা, জান্নাতকে সুসজ্জিত করা, জাহান্নামের আজাব স্থগিত রাখা ইত্যাদি এ মাসেরই বৈশিষ্ট্য। তাছাড়া এ মাসেরই অন্তর্ভুক্ত একটি রাতকে (লাইলাতুল
বিস্তারিতপবিত্র কুরআনের অন্যতম একটি হক হচ্ছে ‘তা‘জীমে কুরআন’। তা‘জীমে কুরআনের অর্থ পবিত্র কুরআনের আজমত ও বড়ত্বকে অন্তরে যথাযথরূপে স্থান দেওয়া এবং বাহ্যিক আচরণেও কুরআনের প্রতি যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করা। কালামুল্লাহ্র প্রতি সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করার দাবীদারদের উক্ত দু’টি বিষয়ের প্রতিই লক্ষ্য রাখা অপরিহার্য। কেননা, কালামুল্লাহ্র প্রতি কেউ পূর্ণ শ্রদ্ধাবোধ অন্তরে লালন করলেও যদি তার
বিস্তারিতসিয়াম অর্থ রোযা। এটা ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ বিধান। হাদীছ শরীফের ভাষ্যমতে জানা যায়, রোযা ইসলামের একটি রুকনও বটে। হাদীছ শরীফের যে পাঁচটি বিষয়ের উপর ইসলামের ভিত্তি নির্ভরশীল বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে, তন্মধ্যে রোযা অন্যতম। ইরশাদ হয়েছে, بنى الإسلام على خمس شهادة ان لا اله الاالله وان محمدا رسول الله وإقام الصلوة وإيتاء الزكاة
বিস্তারিতবাংলা ভাষায় এ পর্যন্ত যতগুলো তাফসীর গ্রন্থ সংকলিত বা অনূদিত হয়েছে এসবের মধ্যে সর্ববৃহৎ গ্রন্থটির নাম ‘তাফসীরে নূরুল কুরআন’। এটি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। এ তাফসীর গ্রন্থটি সংকলন করেছেন, বরেণ্য আলিমে দ্বীন, প্রতিথযশা লেখক ও গবেষক হযরত মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রহ.। তিনি ১৯৩২ সনে কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন বাঘমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে
বিস্তারিতকুরআনের আলোকে হযরত আদম আ.: সৃষ্টি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ মানব জাতির জন্য প্রেরীত হয়েছে মহান আসমানী গ্রন্থ আল কুরআন। কিয়ামত পর্যন্ত আগত সকল মানুষের জন্য এটাই হচ্ছে একমাত্র জীবন বিধান। এতে বর্ণিত হয়েছে আকায়িদ, আহকাম, মু‘আমালাত, মুআশারাত, আখলাক তথা পার্থিব জীবনের যাবতীয় বিধিবিধান। এসবের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে আম্বিয়ায়ে কিরাম আ.ও পূর্ববর্তী উম্মতগণের ঘটনাবলীর বিবরণ। তবে
বিস্তারিতউর্দূ ভাষায় সংকলিত তরজমাতুল কুরআন ও তাফসীর গ্রন্থঃ পরিচিতি ও পর্যালোচনাঃ পবিত্র কুরআন নাযিল হয়েছে আরবী ভাষায়। তাই সাহাবায়ে কিরাম নিজেদের ভাষায় অবতীর্ণ আল-কুরআনের অনেক আয়াতের অর্থ ও মর্ম অতি সহজেই উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। কোন আয়াতের মর্ম উদঘাটনে সমস্যার সম্মুখীন হলে রাসূলে আকরাম সা. এর নিকট জিজ্ঞাসা করে এর সমাধান করিয়ে নিয়েছেন। এভাবেই তাঁদের
বিস্তারিত